আজ ১১ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৫শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

সর্বোচ্চ ৭ বারের মত মেসির হাতে ব্যালন ডি’অর!

অবশেষে অপেক্ষার অবসান হচ্ছে। যবনিকা হচ্ছে সব জল্পনা-কল্পনারও। আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই জানা যাবে কার হাতে উঠছে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে সম্মানজনক পুরস্কার ফিফা ব্যালন ডি’অর। সোমবার (২৯ নভেম্বর) প্যারিসের চ্যাটেলেট থিয়েটার থেকে স্থানীয় সময় ৮টা এবং বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ২টায় জানা যাবে কে হচ্ছেন বিশ্ব ফুটবলের নতুন সেরা।

গুঞ্জন আছে সপ্তমবারের মতো ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদার এই পুরস্কার জিততে চলেছে লিওনেল মেসি। তবে অনেকেই বলছেন ব্যালন ডি’অর জিতবেন রবার্ট লেওয়ানডোস্কি। এটা নিশ্চিতভাবেই বলা যায় এই দুজনের যে কোনো একজনের হাতেই হয়তো উঠতে যাচ্ছে এবারের ব্যালন ডি’অর।

ফুটবল বিশ্বে এখন আলোচনার কেন্দ্রে ব্যালন ডি’অর। এক বছর বিরতির পর আবারো ফিরছে ফুটবলের সবচেয়ে সম্মানজনক এই পুরস্কার। আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরেই ঘোষণা করা হবে গ্রহের সেরা ফুটবলারের নাম।

এ বছরের ব্যালন ডি’অরের জন্য গত ৩০ অক্টোবর ঘোষণা করা হয় ৩০ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকা। এরপর চলতি মাসের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত ভোটাভুটি চলে। এদিকে, যথারীতি ব্যালন ডি’অর নিয়ে অনেক গুঞ্জন শোনা গেলেও যারা পুরস্কার দেবে তারা যেন মুখে কুলুপ এঁটে রেখেছেন। সব রোমাঞ্চ জমা রেখেছেন গালা অনুষ্ঠানের জন্য।

ব্যালন ডি’অরকে অনেকটা নিজেদের ব্যক্তিগত সম্পদ বানিয়ে ফেলেছেন লিওনেল মেসি এবং ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। মেসি সর্বোচ্চ ছয়বার এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পাঁচবার পুরস্কারটি জিতেছেন রোনালদো। অনেকেই বলছেন ২৮ বছর পর দেশকে কোনো শিরোপা এনে দেওয়া লিওনেল মেসির হাতেই উঠছে এবারের ব্যালন ডি’অর। এমনকি এরই মধ্যে তা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে মেসিকে। বিষয়টি মেসিও শেয়ার করেছেন ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। আবার কারো বাজি রবার্ট লেওয়ানডোস্কির পক্ষে।

করোনার কারণে গত বছরের ব্যালন ডি’অর বাতিল না হলে লেওয়ানডোস্কি নিশ্চিতভাবেই তা জিততেন। কারণ গেল মৌসুমে বুন্দেসলিগায় মাত্র ২৯ ম্যাচ খেলে রেকর্ড ৪১ গোল করেছিলেন তিনি। ঝুলিতে পুড়েছেন ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার। তবে করোনার ছোবলে স্বপ্ন অধরা থেকে যায় তার।

মেসি জাতীয় দলের হয়ে কোপা জিতলেও, ক্লাবের হয়ে অর্জন ছিল কেবল কোপা দেল রে জয়। নতুন মৌসুমে নতুন ক্লাবে গিয়েও সুবিধা করতে পারছেন না এই আর্জেন্টাইন ম্যাজিশিয়ান। পিএসজির হয়ে এখন পর্যন্ত ৯ ম্যাচে করেছেন মোটে ৪ গোল। অন্যদিকে লেওয়ানডোস্কি সবশেষ মৌসুমে জিতেছেন বুন্দেসলিগা ও সুপার কাপ। চলতি মৌসুমেও দারুণ ছন্দে থাকা লেওয়ানডোস্কি ২০ ম্যাচে করেছেন ২৫ গোল। তাই পুরস্কার পাওয়ার জোর দাবিদার ৩৩ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকারও।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এ জাতীয় আরও খবর