সিলেটের জামায়াত নেতা মাওলানা লোকমান আহমদের রুকনিয়াত স্থগিতের ঘটনায় দলটির অভ্যন্তরে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। কেন তাঁর রুকনিয়াত স্থগিত করা হয়েছে, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে নানা আলোচনা। দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগের পাশাপাশি জামায়াতের নেতৃত্ব পর্যায়ে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে।
মাওলানা লোকমান আহমদ সিলেট জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি। তিনি জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেছেন। দক্ষিণ সুরমা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান লোকমানকে সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-৩ আসনে প্রার্থী করেছিল জামায়াত। তবে শেষ মুহূর্তে জোটের সমীকরণে তাঁকে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে হয়।
প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘটনাকে ঘিরে তখন ব্যাপক আলোচনায় আসেন পরিবহন মালিকদের একটি সংগঠনের নেতৃত্বে থাকা এই জামায়াত নেতা। আগামী সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবেও তাঁর নাম আলোচনায় ছিল।
সম্প্রতি তাঁর রুকনিয়াত স্থগিতের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর নতুন করে আলোচনায় এসেছেন লোকমান আহমদ। জামায়াত-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও দলটির অনুসারীদের মধ্যে এ নিয়ে নানা আলোচনা চলছে।
দলীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ সেপ্টেম্বর নগরের কুদরতউল্লাহ মার্কেটে জেলা জামায়াত কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জরুরি কর্মপরিষদ বৈঠকে লোকমান আহমদের রুকনিয়াত সাময়িকভাবে স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জেলা আমিরের উপস্থিতিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে সূত্রটি জানিয়েছে।
জামায়াতের সাংগঠনিক কাঠামোয় ‘রুকন’ বলতে পূর্ণাঙ্গ সদস
