বড়লেখার খাগালায় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব আব্দুল গনীর সমর্থনে উঠান বৈঠক
বড়লেখা প্রতিনিধি: আসন্ন ৬নং বড়লেখা সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব আব্দুল গনীর সমর্থনে খাগালায় এক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
স্থানীয় পর্যায়ে নির্বাচনী আলোচনা ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময়ের অংশ হিসেবে আয়োজিত এ উঠান বৈঠকে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, মুরব্বি, যুবসমাজ ও তাঁর সমর্থকরা অংশগ্রহণ করেন।
বৈঠকে বক্তারা বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ হচ্ছে সাধারণ মানুষের সবচেয়ে কাছের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান। তাই একজন জনপ্রতিনিধির কাছে এলাকার মানুষের প্রত্যাশা অনেক। ইউনিয়নের রাস্তাঘাট, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, যোগাযোগব্যবস্থা, নাগরিক সুযোগ-সুবিধা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখার বিষয়ে তাঁরা মতামত তুলে ধরেন।
এ সময় উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দারা এলাকার বিভিন্ন সমস্যা, দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা এবং উন্নয়নসংক্রান্ত বিষয়গুলো তুলে ধরেন। পাশাপাশি ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন, সাধারণ মানুষের অধিকার ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব আব্দুল গনী উপস্থিত সবার বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন। তিনি এলাকার মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে তাঁদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে ইউনিয়নের উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে কাজ করার অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেন।
উঠান বৈঠকে স্থানীয়দের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে নির্বাচনী আলোচনা প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। এ সময় বক্তারা আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এলাকার উন্নয়ন, জনস্বার্থ এবং যোগ্য নেতৃত্বের বিষয়ে নিজেদের মতামত প্রকাশ করেন।
সব মিলিয়ে খাগালার এই উঠান বৈঠককে কেন্দ্র করে ৬নং বড়লেখা সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা ও মতবিনিময়ের নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে।
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল গনীর বলেন উঠান বৈঠকে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব আব্দুল গনী বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়ে আসন্ন ৬নং বড়লেখা সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছি।
আমি নির্বাচিত হতে পারলে দলমত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। বিশেষ করে এলাকার রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, শিক্ষা, যোগাযোগব্যবস্থার অগ্রগতি, অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সরকারি সেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়াকে অগ্রাধিকার দেব।
আমি ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে একটি সুন্দর, উন্নত ও জনকল্যাণমুখী ইউনিয়ন গড়ে তুলতে চাই। এ জন্য আপনাদের পরামর্শ, সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করছি। আপনাদের সঙ্গে নিয়েই এলাকার উন্নয়নে কাজ করতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, “আমি আপনাদেরই একজন। আপনাদের ভালোবাসা ও সহযোগিতাই আমার পথচলার অনুপ্রেরণা।”
