নিজস্ব প্রতিবেদক : তীব্র তাপদাহে অতিষ্ঠ জনজীবন। দীর্ঘদিনের গরমের পর বৃষ্টিতে স্বস্তি ফিরেছে মৌলভীবাজারের বড়লেখায়। বৃষ্টিতে স্বস্তি পেয়েছেন সাধারণ মানুষ, অন্যদিকে কৃষকের মুখেও ফুটেছে হাসি। তবে এই বৃষ্টি আর দমকা বাতাসে কিছু কৃষকের সেই হাসি ম্লান হয়ে গেছে। অনেক জমির পাকা ও আধাপাকা ধান মাটিতে নুয়ে পড়ায় ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
মাঠজুড়ে সোনালি ধান। কৃষকের চোখে-মুখে ছিল ফসল ঘরে তোলার স্বপ্ন। মাসের পর মাস পরিশ্রম করে ফলানো সেই ধান যখন ঘরে তোলার অপেক্ষায়, ঠিক তখনই বৃষ্টি ও বাতাসের প্রভাবে অনেক জমির ধান মাটিতে পড়ে গেছে। এতে ধান কাটতে বাড়তি শ্রম ও খরচের আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। পাশাপাশি ফলন ও ফসলের গুণগত মান নিয়েও দেখা দিয়েছে দুশ্চিন্তা।
অন্যদিকে, দীর্ঘ তাপদাহের পর বৃষ্টি কিছুটা স্বস্তি নিয়ে এসেছে প্রকৃতিতে। কৃষির জন্য এই বৃষ্টি কতটা উপকারী হবে, তা নির্ভর করছে পরবর্তী আবহাওয়া ও জমির অবস্থার ওপর। তবে যেসব কৃষকের ধান মাটিতে পড়ে গেছে, তাঁদের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে ওঠাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
কৃষকদের প্রত্যাশা, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে দ্রুত ধান কেটে ঘরে তুলতে পারবেন তাঁরা। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে সংশ্লিষ্ট কৃষি বিভাগের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতাও কামনা করছেন তাঁরা।
প্রকৃতির বৃষ্টি কারও জন্য স্বস্তির পরশ, আবার কারও জন্য দুশ্চিন্তার কারণ। কৃষকের সারা বছরের পরিশ্রমের ফসল যেন ঘরে তোলা পর্যন্ত নিরাপদ থাকে—এটাই এখন বড়লেখার কৃষকদের প্রত্যাশা।
বড়লেখা থেকে, সুপ্রভাত সিলেট।
