আসন্ন Eid al-Adhaকে সামনে রেখে ঘরমুখী মানুষের যাত্রা শুরু হলেও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ভোগান্তির শঙ্কা কাটছে না। সড়ক সম্প্রসারণ ও চলমান উন্নয়নকাজের কারণে এবারের ঈদযাত্রায় বড় ধরনের যানজটের আশঙ্কা করছে সংশ্লিষ্টরা।
শনিবার (২৩ মে) থেকেই মানুষ বাড়ির পথে যাত্রা শুরু করেছেন। তবে পরিবহন সংশ্ল্লিষ্টরা বলছেন, আগামী সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত সময়েই ঘরমুখী মানুষের সবচেয়ে বেশি চাপ থাকবে। একই সময়ে রাজধানীমুখী কোরবানির পশুবাহী যানবাহনও সড়কে নামবে, ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।
Highway Police জানিয়েছে, Dhaka-Sylhet Highwayএ ২১টি ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কাঞ্চন সেতুর সংযোগ সড়ক, কাঁচপুর সেতুর যাত্রামোড়া এলাকা, বিভিন্ন ফ্লাইওভার ও এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণাধীন অংশ, টোলপ্লাজা, শিল্পাঞ্চল, বাজার ও ইউ-টার্ন এলাকা।
বিশেষ করে Ashuganj গোলচত্বর থেকে Sarail World Road পর্যন্ত প্রায় ১২ কিলোমিটার এলাকায় তীব্র যানজটের আশঙ্কা করা হচ্ছে। আশুগঞ্জ-আখাউড়া চার লেন প্রকল্পের ধীরগতির কাজ এবং অসমাপ্ত গোলচত্বর পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, কাঁচপুর থেকে বান্টি বাজার পর্যন্ত ছয় লেনের সম্প্রসারণকাজ চলমান থাকায় সড়কের বিভিন্ন অংশ ধুলো ও কাদায় ভরা। বৃষ্টি হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
নরসিংদীর ইটাখোলা, ভেলানগর, পাঁচদোনা, জঙ্গীশিবপুর, বারৈচা ও গোকুলনগর এলাকাতেও উড়ালসড়ক নির্মাণ ও বাজারের কারণে যানজট বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন চালক ও যাত্রীরা।
এদিকে Border Guard Bangladesh (বিজিবি) জানিয়েছে, ঈদের সাত দিন আগে থেকে ঈদের পরবর্তী তিন দিন পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক, টোলপ্লাজা ও যানজটপ্রবণ এলাকায় তারা দায়িত্ব পালন করবে। পাশাপাশি Bangladesh Road Transport Authority (বিআরটিএ)-এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করবেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সময়মতো নির্মাণকাজ শেষ না হওয়া, বৃষ্টির সম্ভাবনা, অস্থায়ী পশুর হাট এবং অনুপযোগী যানবাহন সড়কে নামলে এবারের ঈদযাত্রায় ভোগান্তি কয়েকগুণ বাড়তে পারে।
