প্রতিবেদন (সুপ্রভাত সিলেট):
মৌলভীবাজারের গোয়াইনঘাট উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নে স্থানীয় এক মসজিদের ভূমি জোরপূর্বক দখল ও অর্থ আত্মসাৎসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে ফতেহপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মাষ্টার নজরুল ইসলাম ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ক্ষমতার অপব্যবহার করে মসজিদের পরিচালনা কমিটির সভাপতি পদে অধিষ্ঠিত হয়ে নজরুল ইসলাম ও তার ভাইবোনরা মসজিদের অর্থ, পণ্য এবং জমি নিয়ন্ত্রণ করে আত্মসাৎ করছেন। এছাড়া মসজিদের ভুমির ৩ থেকে ৪টি দাগের সাথে তাদের ব্যক্তিগত জমি থাকায় তারা জোরপূর্বক মসজিদের জমির সীমানায় অন্তর্ভুক্ত করে তা দখল করে আসছেন।
গ্রামবাসীর প্রতিবাদের মুখে গত ২০ জুন একটি নতুন কমিটি গঠন করা হয়। পরে ২৯ জুন জমি জরিপের জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়। জরিপের দিন বিকেলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতার নেতৃত্বে একটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে; স্থানীয়রা অস্ত্র নিয়ে হামলার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ করেন। গ্রামবাসী আইন অনুসরণ করে জরিপ বন্ধ রেখে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।
গোয়াইনঘাট থানার এসআই মহরম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, “বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অভিযুক্ত মাষ্টার নজরুল ইসলাম দাবি করেন, “মসজিদের জমির পাশে আমার নিজস্ব জমি রয়েছে, আমি কোনো জমি দখল করিনি। কমিটির কিছু সদস্য মনগড়া তথ্য দিয়ে জরিপ করেছেন। যদি তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে শালিস হয়, তাহলে সীমানা নির্ভুলভাবে নির্ধারণ হবে।”
স্থানীয়রা দ্রুত বিষয়টির সমাধান ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে মসজিদের সম্পদ সুরক্ষিত হয় এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকে।
— সুপ্রভাত সিলেট সংবাদ।
