প্রতিবেদন (সুপ্রভাত সিলেট):
সিলেটের দক্ষিণ সুরমার দাউদপুর ইউনিয়নের সুড়িগাঁও গ্রামের বাসিন্দা এখলাছ উদ্দিন অভিযোগ করেছেন, তার মৌরসী সম্পত্তি রক্ষার চেষ্টা করার কারণে তিনি চরম হয়রানি ও হামলার শিকার হচ্ছেন। বুধবার (২৫ জুন) সিলেট প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান।
এখলাছ উদ্দিন জানান, স্থানীয় জামায়াত কর্মী মুক্তার হোসেনের আশ্রয়ে থাকা আওয়ামী লীগ কর্মী খালিক আহমদ ও তার ছেলে যুবলীগ ক্যাডার সাহেদ আহমদ তার ওপর কয়েকবার হামলা চালিয়েছে এবং বাড়িঘরে ভাংচুর চালিয়েছে। তিনি আরও বলেন, তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলনও করা হয়েছে।
জমি বিরোধের কারণে পারিবারিক মামলা ও দমনমূলক তৎপরতা চলছে। ২০২১ সালে বাড়ির পুরাতন ঘর ভেঙে নতুন ঘর নির্মাণের সময় খালিক-সাহেদ চাঁদা দাবি করে; অস্বীকার করলে অস্ত্র দিয়ে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়। এ ঘটনায় তার স্ত্রী বাদী হয়েছেন।
২০২৫ সালের ৪ এপ্রিলেও তার ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে, যার মামলায় জামায়াত নেতা মুক্তার হোসেনসহ কয়েকজন আসামি করা হয়েছে। এছাড়া ১১ ও ২৩ মে তার বাড়ির সামনে গালিগালাজ ও হুমকি দেয়া হয়েছে। অভিযুক্তরা তার ফিসারিতে মাছ ধরতে বাধা দিয়ে বৈদ্যুতিক লাইনও কেটে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেন এখলাছ।
তিনি জানান, ১৬ বছর ধরে আওয়ামী লীগপন্থী একটি প্রভাবশালী চক্র তার ওপর নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে কারণ তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ২০২১ সালে বিরোধ মীমাংসার চেষ্টা হয়েছিল, তবে প্রতিপক্ষ তা মানেনি।
এখলাছ উদ্দিন প্রশাসনকে সতর্ক হতে এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, খালিক আহমদের সংবাদ সম্মেলন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর।
— সুপ্রভাত সিলেট সংবাদ।
