নিজস্ব প্রতিনিধি :
৫ আগস্ট ২০২৪ ছাত্র আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকার পালিয়ে যাওয়ার পর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মতো বড়লেখায় আত্মগোপনে চলে যান দলটির নেতাকর্মীরা। দীর্ঘ ১৫ বছর শাসন আমলের দাপুটে নেতা থেকে শুরু করে কর্মী সকলেই পালিয়ে যান। আবার বড় নেতাদের কেউ কেউ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শেল্টারে অবস্থান করছেন নিজ বাড়িতে কিংবা স্বজনদের বাড়িতে।
অন্যদিকে সরকার পালিয়ে যাওয়ার পর বড়লেখায় বিভিন্ন মামলায় আওয়ামী লীগের প্রায় শতাধিক নেতাকর্মী আটক হয়ে কারাগারে ছিলেন। দীর্ঘদিন কারাগারে থাকার পর সম্প্রতি বেশিরভাগ নেতাকর্মীরাই জামিনে বের হয়ে এসেছেন।
জামিনে বের হয়ে আসা নেতাকর্মীরা ছাড়াও আত্মগোপনে থাকা নেতাকর্মীরা ফের সক্রিয় রাজনীতিতে ফেরার কৌশল করছেন। এ লক্ষ্যে নেতাকর্মীদের সাথে কৌশলগত যোগাযোগ বাড়িয়েছেন আওয়ামী লীগের বড় নেতারা। মূলত পুলিশের ধরপাকড় ও নিষ্ক্রিয় ভূমিকার কারণে আওয়ামী লীগে মাঠে ফেরার চেষ্টা করছেন। বিশেষ করে বড়লেখা পৌর এলাকার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বাজারে ঘুরতে দেখা গেছে।
এদিকে পুলিশের নিষ্ক্রিয় ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন সচেতন মহল৷ নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন সচেতন নাগরিক বলেন, পুলিশ কিছুদিন শুধু সাধারণ নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করেছে। তবে বড় নেতাদের গ্রেপ্তার করেনি। পুলিশ জেনে বুঝেই আওয়ামী লীগের বড় নেতাদের গ্রেপ্তার না করো গোপনে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা নিচ্ছে।
স্হানীয় সূত্র জানায়, গত প্রায় এক মাস ধরে পুলিশ হঠাৎ রহস্যজনক কারণে আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার অভিযান বন্ধ করে দেয়। মাঝে মাঝে লোক-দেখানো অভিযান চালালেও অভিযান শুরুর আগেই আওয়ামী লীগ নেতাদের কাছে অভিযানের খবর ফাঁস হয়ে যায়।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মাহবুবুর রহমান মোল্লার সরকারি ফোনে কল দেওয়া হয়। তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
