শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ ২৭ রানে জিতলেও প্রথম ম্যাচের খেলার চিত্র অন্যরকম হতে পারত যদি শেষ দুই ওভারে কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান মাত্র ৬ রান দিতেন না। ম্যাচের শেষ ৬ ওভারে আরব আমিরাতের জেতার জন্য প্রয়োজন ছিল ৬০ রান, আর হাতে ছিল ৬ উইকেট। মোস্তাফিজ বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে বল চালিয়ে ওভার প্রতি রান নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হন, যেখানে প্রয়োজন ছিল ১০ রান প্রতি ওভার। তার দুটি ওভারে মাত্র ৭ রান উঠায় আমিরাতের লক্ষ্য কঠিন হয়ে ওঠে।
তবে দ্বিতীয় ম্যাচে মোস্তাফিজ না থাকার ফলে নতুন তিন পেসার—শরিফুল, তানজিম সাকিব ও নাহিদ রানা—মাঠের আকার ও উইকেটের স্বভাব বুঝে ঠিক মতো বোলিং করতে পারেননি। তারা বেশি গতি ও খাট লেন্থে বল করে অনেক রান দিয়েছেন। শরিফুল ৪ ওভারে ৩৪ রান দিয়ে বিরাট ক্ষতি করেন এবং শেষ ওভারে অপ্রয়োজনীয় ভুল করেন। তানজিম সাকিব ও নাহিদ রানাও অনেক রান দিয়েছেন, যাদের বল থেকে ১১.৫ ওভারে মোট ১৩৯ রান উঠে।
গতি নির্ভর এই বোলারদের পেসে বৈচিত্র্য আনতে না পারায় ও মাঠের ছোট আকারের কারণে তারা ব্যাটারদের জন্য সহজ শটস তৈরি করে দিয়েছেন। মোস্তাফিজ না থাকার কারণে বোলিং পরিকল্পনায় আরও বেশি সতর্ক হওয়া প্রয়োজন ছিল। কম গতির হাসান মাহমুদ কে সুযোগ দিলে হয়তো পেসাররা এতটা ব্যর্থ হতেন না, কারণ তিনি বলের নিয়ন্ত্রণ ও বৈচিত্র্য আনতে পারতেন।
