রাজধানীর মণিপুর উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার পর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ভোট সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে সেই রায় সবাইকে মেনে নিতে হবে। এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য।
বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, দীর্ঘ দেড় যুগ দেশবাসী ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাননি উল্লেখ করে তিনি বলেন, “তিনটি ভোট হারানোর পর আল্লাহ আজ আমাদের ভোট দেওয়ার সুযোগ দিয়েছেন।”
যুবসমাজের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, যারা জীবনে একটি ভোটও দিতে পারেনি, তারা আজকের এই দিনের জন্য অপেক্ষায় ছিল। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, সন্ত্রাস ও দখলমুক্ত হবে এবং সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে।
আগামী সরকার সম্পর্কে তিনি বলেন, এমন একটি সরকার গঠিত হোক, যা কোনো ব্যক্তি, পরিবার বা দলের নয়; বরং ১৮ কোটি মানুষের সরকার হবে। এ ধরনের সরকার গঠনে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ভোটারদের নির্ভয়ে কেন্দ্রে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সবাই যেন ঘর থেকে বের হয়ে নিজের অধিকার প্রয়োগ করেন এবং রাষ্ট্র গঠনের গর্বিত অংশীদার হন।
ভোটের পরিবেশ নিয়ে তিনি বলেন, “আমি কেবল কেন্দ্রে এসে ভোট দিলাম। এখন অন্যান্য কেন্দ্রের খবর নেব। ছোটখাটো বিষয় হলে উপেক্ষা করব, তবে বড় কোনো অনিয়ম হলে ছাড় দেওয়া হবে না। মানুষের ভোটাধিকার হারিয়ে যাক, তা আমরা চাই না।”
গণমাধ্যমের ভূমিকা প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, মিডিয়া রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। দেশ গঠনে তিনি গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, একই সংবাদ বিভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। কেউ অপরাধ করলে তা সমর্থনযোগ্য নয়—সে নিজে হলেও নয়। তবে অপরাধ নয় এমন বিষয়কে জোর করে অপরাধ বানানো আরও বড় অপরাধ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
